গ্রীক মিথলজিঃ কিউপিড ও সাইকি, এক অমর ভালবাসার গল্প।


এক রাজার তিন কন্যা ছিল। সবচেয়ে ছোট কন্যার নাম সাইকি। সে ছিল অপরূপ সুন্দরী। মানবী হয়েও সে দেবীর রূপ নিয়ে জন্মেছিল। সকলে বলতো, স্বয়ং সৌন্দর্য্যের দেবীও এত সুন্দর নন। মানুষ ধীরে ধীরে সাইকির রূপের পূজা করতে শুরু করলো। দূরদূরান্ত থেকে সাইকিকে দেখার জন্য আসতো। মানুষ তার প্রতি এতটাই অনুরক্ত হয়ে পড়লো যে তারা দেবী আ্যফ্রোদাইতিকে ভুলে যেতে শুরু করলো। দেবীর পায়ে কেউ আর ফুল দিত না, অর্চনা করতো না। তার মূর্তিতে ধুলোর আস্তর পরতে লাগলো। এতে আ্যফ্রোদাইতির ক্রোধের সীমা রইলো না। সামান্য এক মানবীর রূপ দেখে সবাই তাকে ভুলে যাবে এই কথা তিনি কিছুতেই মানতে পারলেন না। সাইকির উপর তিনি প্রচন্ড রেগে গেলেন। ডেকে পাঠালেন তার পুত্র, প্রেমের দেবতা কিউপিডকে।

ক্রোধান্বিত দেবী কিউপিডকে আদেশ করলেন কিউপিড যেন তার ভালবাসার বাণ দ্বারা পৃথিবীর সবচেয়ে হিংস্র প্রাণীর সাথে সাইকিকে ভালবাসায় বিদ্ধ করতে। তিনি চেয়েছিলেন সেই হিংস্র প্রাণী যেন সাইকিকে ভালবেসে সাইকির জীবন ধ্বংস করে দেয়।মায়ের আদেশ পালন করতে কিউপিড পৃথিবীতে এলেন তার ধবধবে সাদা দুটি পাখায় ভর করে, হাতে তার ভালবাসার ধনুক। উপস্থিত হলেন সাইকির সম্মুখে। কিন্তু, সাইকিকে দেখে তিনি তন্ময় হয়ে গেলেন। প্রেমের দেবতা নিজেই নিজেকে বিদ্ধ করলেন সাইকির সাথে, ভালবাসার বাণে। একদিকে মায়ের আদেশ, অপরদিকে ভালবাসা। দোটানায় পরলেন কিউপিড। অসহায় বোধ করতে লাগলেন তিনি হতাশ ও অসহায় কিউপিড সিদ্ধান্ত নেন দেবতা আ্যপোলোর কাছে সাহায্য চাওয়ার। আ্যপোলো ন্যায়, আলো ও ভাগ্যের দেবতা। তিনিই পারেন সঠিক রাস্তা দেখাতে।

সাইকিকে দেখতে জড়ো হচ্ছে শহরের লোক

অন্যদিকে সাইকি অসাধারণ সুন্দর হওয়া সত্ত্বেও তার কোন বিয়ের প্রস্তাব আসছিলোনা। তার বড় দুই বোন দেখতে তার চেয়ে কম সুন্দর হলেও তারা রাজরানী হলো। সাইকিকে মানুষ দেবীতুল্য সম্মান করতো, তার রূপের পূজা করতো কিন্তু তাকে স্ত্রী হিসাবে কেউ পেতে চাইতো না। তারা শুধু দেখেই সন্তুষ্ট থাকতো। ভাবতো, সাইকিকে শুধু কোন দেবতার সাথেই মানায়। এই সকল কারণে সাইকি ও তার বাবা মা সবাই দুশ্চিন্তা করতে লাগলো।

কিউপিডের কথা শুনে আ্যপোলো বুঝলেন, কিউপিড কতটা ভালবাসেন সাইকিকে। তিনি এও বুঝলেন যে আ্যফ্রোদাইতি জানতে পারলে প্রলয় হয়ে যাবে। অনেক চিন্তাভাবনার পর তিনি কিউপিডকে আশ্বাস দিলেন যে সমাধান তিনি করবেন। কিউপিডকে তিনি আদেশ করলেন গ্রীসের সবচেয়ে উঁচু পাহাড়ে সুরম্য প্রাসাদ তৈরী করার। কিউপিড আ্যপোলোর আদেশ পালন করতে চলে গেলেন। আর আ্যপোলো গেলেন মর্ত্যে। সাইকির বাবা মায়ের কাছে। আ্যপোলো সাইকি ও তার বাবা মায়ের সামনে উপস্থিত হলেন। তিনি বললেন, সাইকির ভাগ্যে লেখা আছে, তার বিবাহ হবে এক ভয়ঙ্কর পাখাযুক্ত হিংস্র সাপের সাথে। এবং তিনি বললেন, গ্রীসের সবচেয়ে উঁচু পাহাড়ে সেই দানবের বাস। সাইকির বাবা মা যেন সাইকিকে আগামীকাল সেখানে রেখে আসেন।

একথা শুনে কান্নায় ভেঙে পড়লো পুরো পরিবার। কিন্তু সাইকি সব মেনে নিল। সে তার বাবামাকে বুঝালো, ভাগ্যের লিখন বদলানো যায়না। অবশেষে সাইকির বাবা মা, রাজ্যের নাগরিকগণ সাইকিকে নিয়ে চললেন সে পাহাড়ের উদ্দেশ্যে যেখানে কিউপিড বানিয়েছেন এক সুন্দর প্রাসাদ।সাইকিকে সুন্দর করে সাজিয়েছিলেন তারা, কিন্তু তাকে পরানো হয়েছিলো শোকের কালো পোশাক। রাজারাণী তাকে নিয়ে গেলেন পাহাড়ে। কাঁদতে কাঁদতে তারা যখন পৌছুলেন, দেখলেন এক অপূর্ব সুন্দর প্রাসাদ। সেখানে যখন তারা গেলেন, তখন দৈববাণী হলো, সাইকিকে রেখে সবাই যেন চলে যায় এবং সাইকি যেন প্রাসাদে প্রবেশ করে। সবাই তাই করলো।

প্রাসাদে প্রবেশ করে সাইকি মোহিত হয়ে গেল। সে বুঝলো, এ কোন মানুষের কাজ নয়! প্রাসাদে অদৃশ্য বীণা বাজছে। ফুলের ঘ্রাণ চারদিকে। টেবিলে সাজানো রাজ্যের খাবার। ক্ষুধার্ত সাইকি কিছু মুখে দিয়ে প্রবেশ করলো শোবার ঘরে। দেখলো নরম বিছানা। শুয়ে সেখানে ঘুমিয়ে পরলো। অনেকক্ষণ পর, রাতে তার ঘুম ভাংলো পাখা ঝাপটানোর শব্দে। সে ভাবলো, পাখাযুক্ত সাপ বুঝি এসেছে।আসলে তা ছিলো কিউপিডের পাখার শব্দ। অন্ধকারে সাইকি কিছুই দেখছিলোনা। অন্ধকারেই তারা বিবাহসূত্রে আবদ্ধ হলো। কিন্তু সাইকির মন কিছুতেই মানছিল না যে তার স্বামী দানব। এত কোমল স্বর, গায়ের সুঘ্রাণ কোন দানবের হয় কি করে!

 

সাইকিকে পাহাড়ে রেখে ফিরে আসছে সবাই

দিনের পর দিন চলে যায়। কিন্তু সাইকি তার স্বামীকে দেখতে পায়নি। তার স্বামী দেয়ালের ওপার থেকে তার সাথে কথা বলতো। গান গেয়ে শোনাতো। সাইকি যখন ঘুমিয়ে পরতো তখন ভোরের আলো ফোটার আগে সাইকির কপালে চুমু দিয়ে অদৃশ্য হয়ে যেতেন কিউপিড। এভাবেই দিনকাল কাটছিলো। একদিন সাইকির খুব ইচ্ছা করছিলো তার বোনদের দেখবার। দেয়ালের ওপার থেকে সাইকি নিজের ইচ্ছা জানালো তার স্বামীকে। কিউপিড রাজি হলেন। পায়রা পাঠিয়ে তার বোনদের নিমন্ত্রণ করলেন।

সাইকির বোনেরা সবসময় সাইকিকে হিংসা করতো। তারা খুব খুশি হয়েছিল যে সাইকি দানবের সংসার করছে। তাই তারা নিমন্ত্রণ পেয়ে ভাবলো, সাইকির খারাপ অবস্থা দেখে কিছু আনন্দ পাওয়া যাবে। তাই সাইকির দানব স্বামীর ভয় উপেক্ষা করে চললেন পাহাড়ের উদ্দেশ্যে। বোনদের পেয়ে সাইকির আনন্দের সীমা রইলোনা। কিন্তু তার বোনে্রা হিংসায় জ্বলে পুড়ে গেল। তারা বুঝলো এ কোন দেবতার কাজ, দানবের নয়। কিন্তু তারা সাইকিকে তা বুঝতে দিলোনা।

একসময় তারা সাইকিকে জিজ্ঞেস করলো তার স্বামীর কথা। সাইকি সব খুলে বললো। এও বললো যে সে তার স্বামীকে খুব ভালবাসে। কিন্তু তার বোনেরা তাকে মনে করিয়ে দিল যে স্বয়ং আ্যপোলো বলেছিলেন যে সাইকির স্বামী হবে দানব। একথা ভুল হতে পারেনা। তাই তারা বুদ্ধি দিল যে সাইকি যেন রাতে ঘুমের ভান করে। তারপর সাইকির স্বামী ঘুমিয়ে গেলে সাইকি যেন প্রদীপ আর ছুরি নিয়ে স্বামীর ঘরে যায়। হয়তোবা সেই দানব যার সাথে সাইকির বিয়ে হয়েছিল সে অসুস্থ বা মারা গেছে। সেই জায়গায় কোন প্রতারক সাইকিকে বিয়ে করেছে। সাইকি ভাবলো, তার বোনেদের কথা সত্যি। তাই সে সিদ্ধান্ত নিল এই কথা যাচাই করার।

সেই রাতে বোনেরা চলে গেলে সাইকি ঘুমের ভান করে। পরে কিউপিড ঘুমিয়ে পড়লে সে প্রদীপ এবং ছুরি হাতে ঘরে কিউপিডের শোবার ঘরে প্রবেশ করে। ঘরে ঢুকে সে চমকে ওঠে। কেননা বিছানায় শুয়ে আছে অসম্ভব সুন্দর পুরুষ। ধবধবে সাদা দুটি পাখা ভাজ করা। গা থেকে আলো ঠিকরে পরছে। পাশে সোনার ধনুক। সাইকি বুঝে গেল এ যে স্বয়ং প্রেমের দেবতা কিউপিড! তন্ময় হয়ে গেল সাইকি। বুঝতে পারলোনা প্রদীপের তেল গড়িয়ে পড়েছে কিউপিডের পাখায়।

সাইকি তন্ময় হয়ে দেখছে কিউপিডকে

অসহ্য যন্ত্রনায় জেগে উঠলেন কিউপিড। উঠেই দেখলেন দাঁড়িয়ে আছেন সাইকি। চমকে উঠলেন তিনি। আর পাখার ঝাপটায় প্রদীপ এসে পড়লো তার পাখায়। দাউদাউ করে জ্বলে উঠলো আগুন। জ্বলন্ত পাখা নিয়ে উড়ে গেলেন কিউপিড । পেছনে পড়ে রইলো সাইকি।

জ্বলন্ত পাখা নিয়ে বেশিদূর যেতে পারলেন না কিউপিড। মুখ থুবড়ে পরলেন। মা! মা! বলে আর্তনাদ করলেন তিনি। তার আকুল ডাক শুনে মর্ত্যে ছুটে এলেন তার মা আ্যফ্রোদাইতি। কিউপিডকে দেখে তিনি বুঝে গেলেন সব। এতদিন কিছু জানতে পারেন নি তিনি কারণ আ্যপোলো জাদু করে রেখেছিলেন প্রাসাদের উপর। তাই সেখানে কি ঘটছে তিনি জানেননি। যখন তিনি জানলেন দানব নয়, কিউপিড সাইকির স্বামী, ক্রোধে ফেটে পরলেন তিনি। কিউপিড কে নিয়ে গেলেন স্বর্গে তার নিজের প্রাসাদে। দগ্ধ কিউপিড বিছানায় শুয়ে কাতরাতে লাগলেন আর ভাবতেন সাইকির বিশ্বাসঘাতকতার কথা।

অপরদিকে সাইকি বুঝতে পারেনি কি হচ্ছিল। যখন সে বুঝলো অনেক দেরী হয়ে গেছিল। ছুটে বাইরে এল সে। কিন্তু কোথাও পেল না কিউপিডকে। কাঁদতে কাঁদতে পাহাড়ে পাহাড়ে সে খুঁজতে লাগলো ইরোসকে। ঠিক তখনই উপস্থিত হলো আ্যফ্রোদাইতি। আ্যফ্রোদাইতিকে দেখে বসে হাত জোড় করে বসে পরলো সাইকি। বললো, সব দোষ তার। দেবী যেন তাকে ক্ষমা করে দেন। তার স্বামীকে সে খুবই ভালবাসে। যখন থেকে ভালবাসে তখন জানতোই না যে তার স্বামী স্বয়ং কিউপিড।

আ্যফ্রোদাইতি রাগে জ্বলছিলেন। তার চোখে ভাসছিল তার পুত্রের যন্ত্রণাময় মুখ। তিনি চরম শাস্তি দিতে চাইলেন সাইকিকে। বললেন, সাইকিকে দিতে হবে ভালবাসার পরীক্ষা। সাইকি মেনে নিল।

সাইকিকে কাজ বুঝিয়ে দিচ্ছেন অ্যাফ্রোদাইতি

ভালবাসার পরীক্ষা দেয়ার জন্য আ্যফ্রোদাইতি সাইকিকে নিয়ে গেলেন এক পাহাড়ে। এক বিশাল বড় লোহার পাত্রে তিনি গম, তিল, পপি, সরিষা আরো অনেক ছোট ছোট শস্য মিশিয়ে দিলেন। বললেন সূর্যাস্তের আগে যেন সাইকি সব শস্য আলাদা করে। নাহলে সে কখনো কিউপিডকে দেখতে পাবেনা। বেলা গড়ানোর আগেই সাইকি বুঝতে পারলো একাজ অসম্ভব। সেই পাহাড়ে ছিল একদল পিঁপড়া। তারা সাইকিকে সাহায্য করলো এবং সূর্যাস্তের আগে কাজ শেষ হয়ে গেল। এতে আ্যফ্রোদাইতি মোটেও খুশি হলেন না। তিনি বললেন, আরো পরীক্ষা দিতে হবে সাইকিকে। সাইকিকে তিনি শুতে দিলেন মেঝেতে। কোন খাবার দিলেন না। পরের সকালে তিনি নিয়ে গেলেন সাইকিকে আরেক পাহাড়ে।

সেই পাহাড় থেকে দেখা যাচ্ছিল এক ভয়ঙ্কর নদী। এই নদীর উৎস স্বয়ং স্টাইক্স নদী, যা আলাদা করে রেখেছে মৃত ও জীবিতদের রাজ্যকে। সে নদীর পানি কালো। বললেন সেই নদী থেকে পানি আনতে। সাইকি বুঝতে পারলেন, এই নদী থেকে পানি আনা মানে মৃত্যু। কারণ, নদী পাহাড়ের ঢালে। পাথুরে আর পিচ্ছিল। পাখা না থাকলে সে পানি আনা সম্ভব নয়। পাহাড়ে বসে কাঁদতে লাগলেন। এবার সাহায্য করলো এক ঈগল। সে পাত্র ভরে পানি এনে দিল। আ্যফ্রোদাইতি এবার আরো রেগে গেলেন। ভাবলেন এবার মারতেই হবে সাইকিকে। তিনি পাঠালেন এবার সাইকিকে। আন্ডারওয়ার্ল্ডে। মৃতদের জগতে। মৃতদের রাণী প্রিসেফনির কাছ থেকে তার রূপের কিছুটা চেয়ে আনতে।

সাইকি গেলেন মৃতদের জগতে। ক্যারনের নাও দিয়ে পার হলেন স্টাইক্স নদী। সাইকির কষ্টে দয়াপরবশ হয়ে প্রিসেফনি তার রূপের খানিকটা একটা বাকসে ভরে দিয়ে দিলেন।কিন্তু মৃতদের জগত থেকে ফিরে এসে রূপের বাকসো নিয়ে সাইকি এলেন অ্যাফ্রোদাইতির প্রাসাদে। সাইকি জানতেননা সেখানেই আছে কিউপিড। কৌ্তুহলী হয়ে বাগানে বসে রূপের বাকসো খুললো সাইকি। ভাবলো, রূপের খানিকটা নিজেও গায়ে মেখে নিবে! কিন্তু সাইকি জানতো না যে এই রূপ মরণশীলদের জন্য নয়! কালঘুম জড়িয়ে ধরলো তাকে। মাটিতে লুটিয়ে পরলেন সাইকি।

বাকসো খুলে দেখছে সাইকি

অসুস্থ কিউপিড বিছানায় শুয়ে ছিলেন। তার ঘরে ছিলো একটি মাত্র জানালা। কোন এক অজানা কারণে হঠাৎ তার মন ব্যাকুল হয়ে উঠলো। তিনি জানালা দিয়ে উঁকি দিলেন। দেখলেন, কে যেন মাটিতে পরে আছে। তিনি আরো এগিয়ে গিয়ে ভালোভাবে দেখলেন আর বুঝতে পারলেন, এ যে সাইকি! সাইকির দুর্দশা তিনি সইতে পারলেন না। বুঝতে পারলেন, তার মা ই দায়ী এসবের জন্য। কিউপিডের মনে আবার ভালবাসা জেগে উঠলো। তার সুস্থ হতে ইচ্ছা করলো। ভালোবাসার শক্তিতেই আবার সুন্দর করে গজিয়ে উঠলো তার পাখাদ্বয়। পাখা মেলে ঘরের ছাদ ভেঙে তিনি উড়ে গেলেন বাগানে। যেখানে সাইকিকে গ্রাস করেছিলো কালঘুম।

সাইকিকে দেখে কান্নায় ভেঙে পরলেন কিউপিড । কিউপিড সাইকিকে কোলে করে নিয়ে উড়ে গেলেন, উপস্থিত হলেন অলিম্পাসে, দেবরাজ জিউসের সভায়। দেবতারা অসন্তুষ্ট হলেন অ্যাফ্রোদাইতির উপর।তারা সিদ্ধান্ত নিলেন, সাইকিকে অমরত্ব দান করা হবে। অ্যাথেনা সাইকির শরীর থেকে কালঘুম উঠিয়ে আবার বাকসে বন্দী করলেন। জিউস নিজে সাইকিকে খাওয়ালেন এমব্রোজিয়া। অমর হলো সাইকি। এরপর এক বিশাল ভোজের আয়োজন করা হলো তাদের বিয়ে উপলক্ষে!

কিউপিড ও সাইকির বিয়ের ভোজ

সাইকিকে সকল দেবতারা মিলে প্রদান করলেন দেবত্ব। সাইকিকে ঘোষনা করা হলো আত্মার দেবী পদে। অন্যদিকে সাইকির অমর হওয়াতে খুশী হলেন আ্যফ্রোদাইতি। কারণ কিউপিড ও সাইকি অলিম্পাসেই থাকবে। যার কারণে মানুষ ধীরে ধীরে সাইকির রূপের কথা ভুলে যাবে। আবার মানুষেরা আ্যফ্রোদাইতির আরাধনা শুরু করবে। তাই হয়েছিল।

আত্মার দেবী সাইকি, এ থেকেই সাইকিক শব্দটির জন্ম।

সূত্রঃ ইন্টারনেট

কমেন্ট করুন

What's Your Reaction?

hate hate
0
hate
confused confused
0
confused
fail fail
0
fail
fun fun
0
fun
geeky geeky
0
geeky
love love
3
love
lol lol
0
lol
omg omg
0
omg
win win
1
win
tasniazmi

তাসনিয়া আজমী। শখ বই পড়া, বই সংগ্রহ করা। লেখালেখি শুরু করেছি বেশীদিন হয়নি, কিন্তু এরই মধ্যে লেখালেখি ভালবেসে ফেলেছি। ইচ্ছে ছিল সাংবাদিকতা নিয়ে পড়ার, বিভিন্ন কারণে হয়নি। ইচ্ছে আছে ভবিষ্যতে নিজের বই নিজের বুকশেলফে তুলে রাখার। ইচ্ছে আছে লেখিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার।

SHARE THIS:

লগইন করুন

আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন।

পাসওয়ার্ড রিসেট করুন!

পাসওয়ার্ড রিসেট করুন!

সাইন আপ করুন

আমাদের পরিবারের সদস্য হোন।

Choose A Format
Personality quiz
Series of questions that intends to reveal something about the personality
Trivia quiz
Series of questions with right and wrong answers that intends to check knowledge
Poll
Voting to make decisions or determine opinions
Story
Formatted Text with Embeds and Visuals
List
The Classic Internet Listicles
Meme
Upload your own images to make custom memes
Video
Youtube, Vimeo or Vine Embeds
Audio
Soundcloud or Mixcloud Embeds
Image
Photo or GIF
Gif
GIF format