এবার পুরো পৃথিবী বাংলায়

আহা’র ঈদ আয়োজন

একজন তরুণ উদ্যোক্তার স্বপ্নবীণা

608

- Advertisement -

ঘরকন্নার প্রথম উৎসব, স্বাধীন নারীর আত্মনির্ভরশীলতার রঙ, ও যুবতী শখের নকশা নিয়ে এই ঈদে পসরা সাজিয়েছে আহা। তরুণ উদ্যোক্তা সাদিয়া রহমান সংগীতার কল্পনাপ্রসূত একঝাঁক বাহারি রঙ এর সমন্বয়ে আহার আয়োজনে আছে তরুণদেরই হৃদয় হতে ফুটিয়ে তোলা স্মৃতিমাধুর্য। চলুন, তবেঁ দেখে নেয়া যাক আহা’র ঈদ আয়োজনে কি কি চমক থাকছে।

ঘরকন্নার প্রথম উৎসব:

সাত সকালে নবপরিণীতা বধূটি ভেজা চুল তোয়ালে মুড়িয়ে দিনের শুরু থেকেই আরম্ভ করে আয়োজন। আজ যে আত্মীয় স্বজন সকলেই আসবেন, নতুন বউ এর হাতের রান্না খেয়ে হয়ত সহাস্যে তারিফ করবেন। কিন্তু রান্না বান্না অতিথি আপ্যায়ন এর ফাঁকে সকলের নজরে থাকবে নতুন বউ এর সাঁজপোশাক। একটু উজ্জ্বল রঙ এর শাড়ির সাথে হতে পারে একটি হাতখোপা। কপালের মাঝখানে একটি চাঁদের ন্যায় টিপ শোভা যেন আরো বাড়িয়ে দেয়। কমলার মাঝে সোনালী কাজ করা এই শাড়িটিতে রয়েছে নব পরিণীতার চিত্রাভ সাজসজ্জার সবটুকু সৌন্দর্য।

 

 

 

- Advertisement -

 

 

নারীর আত্মনির্ভরশীলতার রঙ:

আমি নারী, আমি ঘরে যেমন বেশ, কর্মক্ষেত্রেও সরেশ। সাধারণত কর্মজীবী নারীরা হালকা রঙ এ আভিজাত্য পছন্দ করেন। যাতে সহজেই সামলানো যায় এবং পরলেও দেখতে লাগে অতুলনীয়া। আহা’র এই সংগ্রহটি নতুন কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করেছেন, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ও স্বাধীনচেতা নারীদের জন্য। লাল, কালো ও সাদা তো আছেই, শাড়িটির আঁচলে বসে আছে অভিনব ভঙ্গীতে আঁকা একদল বাবুই পাখি। এই তপ্ত মৌসুমে ঈদ পরবর্তী দিনে অফিস জয়েন করতে গেলে শাড়িটিতে বেশ মানিয়ে যাবে বৈকি।

যুবতী শখ:

আমাদের অনেকেরই প্রায় শখ জাগে, আটপৌরে শাড়িতে জড়াবার। সেই শখ পূরণ করতে বিভিন্ন পালা পার্বণে ঘরের মুরব্বীদের শাড়ি বের করে মুন্সিয়ানার ভঙ্গী ধরে পড়ে দেখবার চেষ্টা করি। তবেঁ চঞ্চলমতি বালিকার খেয়ালিপনা মেটাতে এবার আর আলমিরা থেকে শাড়ি বেছে নেয়ার প্রয়োজন পড়বে না। উচ্ছ্বলতার রঙ হলুদ ও সমুদ্রের গভীর হাতছানীর ন্যায় নীলের পরশ নিয়ে নকশা করা হয়েছে যুবতী শখের শাড়িটি। যে কোন বয়সী দুরুন্তপনার সাথে নিখাদ ভাবে মানিয়ে যাবে।

 

জাদুর শহর :

আধখোলা চোখভাঙ্গা ঘুম জুড়ে আলস্যমাখা মেজাজে হঠাৎ চেনা শহরটিকে মায়াময় মনে হয়। নিয়নের আলো যেন একশ বছর অতীতে পার করে ঠেলেঠুলে জায়গা করে দিয়েছে আলভোলা জাদুর ন্যায় স্মৃতিকথা। সদ্য আটপৌরে শাড়িতে আচল তুলে কোচর ভরা মণ্ডা মেঠাই পসরা সাজিয়ে আছেন বুড়ি ঠাকুমা, গালভরা হাসিমুখে তার চালভাজা মুড়ি। এই শহরের কোল ঘেঁষে ওঠা কত আবেগ যেন চিত্রাভ ফাঁদ পেতে বসেছে। এ চিরচেনা মুগ্ধতার শোরগোল আমার বড়ই প্রিয়। ফুচকার বাটির তলানিতে আঁটকে থাকা তেতুল টকের শেষ বিন্দুটি আমার জন্য চরম লোভ জাগানিয়া। অলস দুপুরে রিকশাওয়ালার মৃদু টুংটাং, ঘোর বেধে দেয়ার জন্য হয়ত বা যথেষ্ট।
এরই মধ্যে ইচ্ছে হল, নিজেকে আজ সাজিয়ে দেখি তো! যেমন করে সেজেছিল কালবেলায় মাধবীলতা কিংবা হাত দুখানা প্রসারিত করে ধরি শঙ্খনীলের রাবেয়ার মত। বারংবার প্রাণে বেজে যায় আরেক ফাল্গুন, আমি কি রাণু? অথবা প্রাণচঞ্চল বেণু?

না,, আমি দীপাবলি,, আমি এ জাদুর শহরের সাতকাহন।

 

 

মন্তব্য
লোডিং...