এবার পুরো পৃথিবী বাংলায়

আপনি উদ্যোক্তা না-কি হওয়ার পরিকল্পনা করছেন?

“বড় কিছুর শুরুটা ছোট দিয়েই হয়, স্যার।” - লরেন্স অফ অ্যারাবিয়া (১৯৬২)

363

- Advertisement -

এবিসি টেলিভিশন চ্যানেলের জনপ্রিয় একটি অনুষ্ঠান ‘শার্ক ট্যাঙ্ক’। লাখ লাখ দর্শক এতে আঠার মতো লেগে রয়েছেন এবং তা দিন দিন বাড়ছে। সেখানে আসেন মার্ক কিউবান বা বরার্ট হারজাভেকের মতো ‘শার্ক’। তাদের মুখের কথা অনেকের জীবনের দৈনন্দিন বাক্য হয়ে উঠেছে। এর মাধ্যমে একটি বিষয় আশাপ্রদ। তা হলো, সব মানুষই একজন উদ্যোক্ত হওয়ার স্বপ্ন দেখেন।

Shark Tank Image

জনপ্রিয়তার কারণেই মানুষ এখন ‘উদ্যোক্তা’ শব্দটির ব্যাপক ব্যবহার করে যাচ্ছেন। এই শব্দের প্রয়োগে বিশেষজ্ঞরা সৃষ্টিশীল চিন্তার উদ্যোক্তাদের নির্দেশ করেন। তবে এর মাঝেই উদ্যোক্তাদের আটকে ফেলা উচিত নয়। উদ্যোক্ত তারাই যারা দক্ষ পেশাজার ব্যক্তি যারা নিজস্ব আইডিয়াকে বাস্তবায়িত করতে ঝুঁকি নিতে প্রস্তুত থাকেন। একে একটা লাভজনক ব্যবসায় পরিণত করতে সক্ষম হন।

একটি উদ্যোগে মূলত উদ্যোক্তারা নিজেরাই তিন ধরনের কর্মী  হয়ে কাজ করেন। তারাই যেকোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।

- Advertisement -

১. তারা শুরু থেকেই কাজ করেন :
এ ধরনের নতুন উদ্যোক্তারা প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্ধারণে আগ্রহী হন। প্রত্যেক উদ্যোক্তার মনে একটি প্রয়োজন মেটাতে সমস্যা সমাধানের আকাঙ্ক্ষা থাকে। এ স্বপ্ন পূরণে ত্যাগের জন্যে তাদের প্রয়োজন মানসিক শক্তি। স্ট্যাটিস্টিক ব্রেইনের এক হিসাবে বলা হয়, ৩৬ শতাংশ উদ্যোক্তা দ্বিতীয় বছরে গিয়ে ব্যর্থতা দেখেন। তবে সত্যিকার উদ্যোক্তরা ঝুঁকি নিতে পছন্দ করেন। তারা কখনোই প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে চিন্তা করা বন্ধ রাখেন না।
২. প্রতিষ্ঠানে নতুন আইডিয়া তৈরি করেন :
অধিকাংশ উদ্যোক্তারাই সত্যিকারের উদ্ভাবক। তবে সবাই এমন নন। সৃষ্টিশীলতার বিষয় কেবল লাভ ঘরে তোলার মাধ্যমে নিশ্চিত হয় না। নতুন ভাবনায় নতুন দিকের উন্মোচন ঘটাতে হয়। তবে উদ্যোক্তারা সাধারণত লাভের বিষয়টি মাথায় রাখতে চান। অনেক সময় প্রতিষ্ঠানের সিইও সরাসরি নিজ দায়িত্বে নতুন কোনো আইডিয়া বাস্তবায়িত করে লাভ ঘরে তোলার কাজ করেন। তাদের সঙ্গে উদ্যোক্তাদের অনেক মিল আছে। তবে একটি বিষয়ে তাদের পার্থক্য রয়েছে। তাদের দুজনের মধ্যে ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতায় বড় পার্থক্য রয়েছে। প্রতিষ্ঠানে সৃষ্টিশীল কর্মীরা দারুণ মূল্যবান সম্পদ।

Entrepreneurs Image

৩. আপনার চাকরি স্থিতিশীল :
এ ক্ষেত্রে কর্পোরেট এক্সিকিউটিভদের কথা বলা যায়। প্রতিষ্ঠানে এই চরিত্র ভালো কিছু বয়ে আনতে পারে। একজন উদ্যোক্তা তার রক্ত-ঘাম পানি করে উদ্দেশ্য হাসিল করতে চান। এক্সিকিউটিভরা তাদের ক্যারিয়ারকে দীর্ঘকাল ধরে সযত্নে আগলে রাখেন। এর পরিচর্যা করেন তারা। একজন উদ্যোক্তার জীবন রোলার কোস্টারের মতো। বহু চড়াই-উৎরাইয়ের মধ্য দিয়ে এগোতে থাকে। তবে এক্সিকিউটিভের ক্যারিয়া বেশ স্থিতিশীল। তবে উদ্যোক্তা এক রোমাঞ্চকর অনুভূতি। সফলতা অর্জনে যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা এখানে বড় কর্মযজ্ঞ।

মন্তব্য
লোডিং...