এবার পুরো পৃথিবী বাংলায়

বিউটি অ্যান্ড দ্য বিস্ট – অং সান সু কি এর জীবনের অদেখা ছবি।

বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে আলোচিত ও সমালোচিত নাম অং সান সু কি। নতুন করে তার পরিচয় দেবার মতো কিছুই নেই। যার নোবেল প্রাপ্তিতে জনগণ আনন্দে মেতেছিলো, তারাই আজ তার দিকে আড়চোখে তাকাচ্ছে। প্রশ্ন করা হচ্ছে তার নোবেল প্রাপ্তির যোগ্যতা নিয়ে। চলুন দেখা যাক এই বিশ্বখ্যাত নেত্রীর জীবনের অদেখা কিছু ছবি।

১৯৭২ সালের নিউ ইয়ার’স ডে। লন্ডনের চেলসি এর এক ম্যারেজ রেজিস্ট্রি অফিসে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন অং সান সু কি এবং মাইকেল এরিস। মাইকেলের বয়স তখন ২৬ এবং সু কি এর ২৫।

বিয়ের রিসেপশনের দিন সু কি। তার এক পারিবারিক বন্ধুর বাড়িতে ধর্মীয় নিয়ম পালন করছেন।

ভুটানের এক বরফঘেরা পাহাড়ে দাঁড়িয়ে আছেন সু কি। এই পাহাড়ের চূড়ায় রয়েছে একটি তাকসাং মন্দির। সেখানেই মাইকেল সু কি কে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

পাহাড় ঘুরে দেখছেন সু কি।

ভুটানের এক চমরি গাইয়ের পিঠে মাইকেল। সেখানে তিনি রাজপরিবারের টিউটর ছিলেন।

মাইকেল এরিস, সু কি, সু কি এর মা দাও কিন কি এবং তার কোলে সু কি এবং মাইকেলের ছেলে আলেক্সান্ডার। সেবারই প্রথম বিয়ের পর রেঙ্গুন গিয়েছিলেন সু কি।

পুত্র আলেক্সান্ডারের সাথে এরিস দম্পতি।

স্কটল্যান্ডে এক পারিবারিক বনভোজনে সু কি, মাইকেল, আলেক্সান্ডার এবং কিম।

স্কটল্যান্ডে শ্বশুরবাড়ির উঠোনে দুই ছেলে কিম এবং আলেক্সান্ডারের সাথে খেলছেন সু কি।

১৯৭৩ থেকে ১৯৮৮, সু কি মাতৃত্বকেই প্রাধান্য দিয়েছেন। তখন তিনি সপরিবারে ইংল্যান্ডে।

ছুটিতে বনভোজনে বার্বিকিউ নিয়ে ব্যস্ত।

১৯৭০ সালে সু কি এর পাসপোর্ট।

হাউজ এরেস্ট থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছুদিন পর।

সূত্রঃ ইন্টারনেট

মন্তব্য
লোডিং...