রাশিয়া বিশ্বকাপ : ফুটবল এখন তুযারশুভ্র দেশ “রাশিয়ার” পথে (পর্ব :১)

আর মাত্র কিছুদিন! আর কিছুদিন পরেই সমগ্র বিশ্ব আক্রান্ত  এক অদভুত ব্যাধিতে আক্রান্ত হবে। ধীরে ধীরে গ্রাস করবে যুবক-যুবতি, শিশু থেকে বৃদ্ধ সকলকে। এই ব্যাধির নেই কোন প্রতিষেধক, নেই কোন চিকিৎসা। হ্যাঁ একটা উপায় আছে বৈকি, আর সেটা হলো এই ব্যাধিকে আপন করে এর সাথে পুরোপুরি মিশে যাওয়া। এই ব্যাধির কোন বৈজ্ঞানিক নাম আমার জানা নেই, কিন্তু আমরা একে “ফুটবল বিশ্বকাপ” নামেই জানি।

এই বছরের ১৪ই জুন থেকে শুরু হতে যাচ্ছে অলিম্পিকের পর সবচেয়ে বড় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা “ফুটবল বিশ্বকাপ: রাশিয়া ২০১৮” । ৩২টি দেশের দলের এই প্রতিযোগিতায় শুধু সেইসব দেশের মানুষই নয়, পৃথিবীর আরও হাজারো ফুটবলপ্রেমি উন্মুখ হয়ে থাকবে। ফিফা বিশ্বকাপে আয়োজন করার অধিকার পাওয়া যেমন প্রতিদ্বন্দ্বিতা পূর্ণ তেমনি সম্মানজনক একটি দেশের জন্যে। এবারের বিশ্বকাপ আয়োজনের গৌরব অর্জন করছে অন্যতম প্রভাবশালি দেশ “রাশিয়া” ।  রাশিয়া এই সম্মান অর্জন করে ইংল্যান্ডের মতন প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে পরাজিত করে – পাশাপাশি বেলজিয়াম ও হল্যান্ডের সহযোগিতামূলক প্রস্তাব এবং স্পেন ও পর্তুগালকেও পরাজিত করে।

রাশিয়ার প্রসিডেন্ট ভ্লাদিমির পূতিন এর হাতে শোভা পাচ্ছে বিশ্বকাপের ট্রফি

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রীড়া ইভেন্টের হোস্টিং করা যেমন গৌরবের ঠিক তেমনি চ্যালেঞ্জিং। গত ২০১৪ বিশ্বকাপ টুর্নামেন্টে, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিক্ষোভের জন্য ফুটবল ব্যাক ড্রপ হয়ে উঠেছিল। ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট ডিলমা রুসেফ এর জন্যে এরূপ পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কষ্টকর হয়ে পড়েছিল। ব্রাজিলের তুলনায় রাশিয়াকে আরও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত ও সমাজতান্ত্রিক দেশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাই প্রতিযোগিতায় জনসাধারণের বিক্ষোভের ঝুঁকি অনেকটাই কম বলা যেতে পারে। তবুও এখনও, একটি সংবেদনশীল সময়ে আয়োজিত হবে বিশ্বকাপ। রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তিন মাসেরও কম সময়ের মধ্যে ১৪জুন মস্কোতে প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। তবে আশা করা যায় সব প্রতিকূলতাকে পাশ কাটিয়ে সফল ভাবেই আয়োজিত হবে “ফুটবল বিশ্বকাপ: রাশিয়া ২০১৮”।

উৎসবের সাজে সেজেছে রাশিয়ার রাজধানি মস্কো

এবার চলুন এক নজরে রাশিয়া বিশ্বকাপের সব খুঁটিনাটি-

রাশিয়া বিশ্বকাপের ভ্যেনু সমূহ :

এবার বিশ্বকাপের ৩২টি দলের মোট ৬৫টি খেলা অনুষ্ঠিত হবে ১২টি স্টেডিয়ামে। ওপেনিং ম্যাচ এবং ফাইনাল ম্যাচ হবে একই ভ্যেনু- লুজনিকি স্টেডিয়াম এ।

গড় আসন ক্ষমতা: ৪৯,৩০০টি আসন

বৃহত্তম স্টেডিয়াম : লুজনিকি স্টেডিয়াম (৮১,০০০ টি আসন)

সবচেয় ছোট স্টেডিয়াম কলোনিং স্টেডিয়াম (৩৫,২১২ টি আসন)

গড় ম্যাচ প্রতি স্টেডিয়ামে : ৫.৩৩

blank
এই বারোটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিশকাপের সবগুলো ম্যাচ

রাশিয়া বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলগুলো

এশিয়া অঞ্চল  :

অস্ট্রেলিয়া – “দ্যা সকারোস” হিসেবে খ্যাত অস্ট্রেলিয়াদের জন্য এটি বিশ্বকাপে তাদের পঞ্চম পদক্ষেপ ।

ইরান – রাশিয়া ২০১৮ সালের জন্য যোগ্যতা অর্জনকারী প্রথম এশিয়ান দল ইরান । শক্তিমত্তায় যেকোন দলকে চ্যালেঞ্জ করতে সক্ষম।

জাপান -দুইবার রাউন্ড অফ সিক্সটিন এ খেলা “ব্ল সামুরাই”রা এবার প্রস্তুত আরও ভালো কিছু করার জন্য।

কোরিয়া রিপাবলিক – ১৯৮৬ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছেন কোরিয়া।

সৌদি আরব – ১৯৯৪ সালে তাদের বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করেছিল সৌদি। এবারো তারা লড়বে ভালো কিছুর আশায়।

আফ্রিকা অঞ্চল  :

ইজিপ্ট -১৯৯০ এ ফরাসি-ইতালির যৌথভাবে আয়োজিত বিশ্বকাপের  পর এই প্রথম বিশ্ব দরবারে আবারো উপস্থিত মিশর। মিশরের প্লে-মেকার “মোহাম্মদ সালাহ’র দিকে এবার নজর থাকবে গোটা বিশ্বের।

মরক্কো- আফ্রিকান জোনের গ্রুপ সি শীর্ষে থেকে এবারের বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে এই দলটি।

নাইজিরিয়া -১৯৯৪ এ অভিষেকের পর একটি বিশ্বকাপ মিস করেছে শুধু তারা। তাঁদের ডাকনাম- “সুপার ঈগল”স।

সেনেগাল – কোরিয়া / জাপান ২00২ সালে তাদের অভিষেক হয়, সেই আসরেই “লায়ন্স অফ তারাঙ্গা”রা কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে সারা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেয়।

তিউনিসিয়া – আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ-১৯৭৮, কার্থেজ ইগলেস বিশ্বকাপের ম্যাচটি জিততে প্রথম আফ্রিকান দল হিসেবে কোন বিশ্বকাপের ম্যাচ জিতেছিল।

কনকাফ অঞ্চল :

কোস্টা রিকা -ব্রাজিল ২০১৪ এ চিত্তাকর্ষক খেলার মাধ্যমে কোয়ার্টার ফাইনালে খেলা কোস্টারিকা এবারেও অনেকের মতে বাজির ঘোড়া।

মেক্সিকো – মেক্সিকানদের জন্য বিশ্বকাপে খেলা নিত্য-নতুন বিষয়। রাশিয়ার কোয়ালিফাইংয়েও আমরা এর নজির দেখতে পাই।

পানামা- সেন্ট্রাল আমেরিকাদের রাশিয়া বিশ্বকাপের মাধ্যমে বিশ্বকাপের আসরে অভিষেক হতে যাচ্ছে।

ল্যাটিন আমেরিকা অঞ্চল :

আর্জেন্টিনা – উরুগুয়ে ১৯৩০-এ উদ্বোধনী আসরে এবং গত আসরের রানার্স-আপ এবং দুই বারের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা এবারো বিশ্বকাপের অন্যতম দাবিদার। লিও মেসির নেতৃত্বে এবার আর্জেন্টিনার দল যাচ্ছে গতবারের শিরোপা না পাওয়া আফসোস ঘোচাতে।

ব্রাজিল – ফুটবলের অন্যতম পরাশক্তি এবং সর্বোচ্চ পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের এবারের মিশন হেক্সা জয়ের। নেইমার,মার্সেলো, পোওলিনহো এদের নিয়ে সাজানো দল বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম দাবিদার।

কলাম্বিয়া –  একঝাক সম্ভাবনাময় তরুণ নিয়ে গড়া কলাম্বিয়ের এবারের দলটি যেকোনো দলকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম।

পেরু – ৩৬ বছর মধ্যে পেরু এই প্রথমবারের জন্য বিশ্বকাপের আসরে ফিরে আসে।

উরুগুয়ে –  ১৯৩০ সাল এবং  ব্রাজিল ১৯৫০ সালে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন এবারের আসরে খেলছে তাঁদের সামর্থ্যের পরীক্ষা দিতে। লুইস সুয়েরেজ, এডিন্সন কাভানীরা প্রস্তুত মাঠে কিছু করে দেখাতে।

ইউরোপীয় অঞ্চল :

বেলজিয়াম – অনেকের মতে এবারের বিশ্বকাপের সবচেয় ব্যালেন্সড টিম বেলজিয়ামেরই। অতীত রেকর্ড খুব একটা তাঁদের পক্ষে না থাকলেও এবারের বিশ্বকাপে সবার নজর থাকবে এদের উপরই।

ক্রোয়েশিয়া – ফ্রান্সে ১৯৯৮ বিশ্বকাপের প্রথম খেলা ক্রোয়েশিয়া, সেই আসরেই তৃতীয় স্থান অর্জন করেছিল।

ডেনমার্ক – গ্রুপ সি তে খেলা ডেনমার্ক এবারের আসরে ৫ম বারের মতন খেলছে।

ইংল্যান্ড – “থ্রি লায়ন্স” হিসেবে খ্যাত ইংল্যান্ড দল ১৬টি কোয়ালিফাইং ক্যাম্পেইন এর মধ্যে ১৪বারই বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে।

ফ্রান্স – এবারের ফ্রান্স টিমটা অনেকটাই গোছানো। গত ইউরো তে রানার্স-আপ হওয়া ফ্রান্স এবার শিরোপা জেতার জন্যেই লড়বে।

জার্মানি – কোয়ালিফাইং এর শতভাগ ম্যাচ জেতা গত আসরের চ্যাম্পিয়ন জার্মানি এবারো তাঁদের আগমনী জানান দিচ্ছে।

আইসল্যান্ড – বিশ্বব্যাপী সর্বকালের সর্ব ক্ষুদ্র দেশ হিসেবে বিশ্বকাপের জন্য যোগ্যতা অর্জন করে আইসল্যান্ড।

পোল্যান্ড – পোলস ১৯৭৪ এবং স্পেন ১৯৮২সালে তৃতীয় স্থান লাভ করেছিল পোল্যান্ড দল।

পর্তুগাল – ইউরো চ্যাম্পিয়ন পর্তুগাল এবার চাইবে বিশ্বকাপটাও যেন তাঁদের হাতেই উঠে।

রাশিয়া – আয়োজক দেশ রাশিয়া , 1966 সালের ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে চতুর্থ স্থানে ছিল। এবার নিজেদের মাটিতে ভালো কিছু করার প্রত্যয় নিয়ে খেলবে স্বাগতিকরা

সার্বিয়া-বিশ্বকাপের নিয়মিত মুখ সার্বিয়া এবারের আসরেও আছে।

স্পেন – ২010 সালে চ্যাম্পিয়ন্স, স্পেনের বিশ্বকাপ অভিষেক হয় ইতালি বিশ্বকাপ 1934 সালে।

সুইডেন – সুইডিশরা 1958 সালে বিশ্বকাপের হোস্ট হিসাবে রানার্স-আপ ছিল।

সুইজারল্যান্ড – সুইস তিনবার কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছে।

রাশিয়া বিশ্বকাপের আট গ্রুপ :

গ্রুপ ‘এ’: রাশিয়া, সৌদি আরব, মিশর, উরুগুয়ে

গ্রুপ ‘বি’: পর্তুগাল, স্পেন, মরক্কো, ইরান

গ্রুপ ‘সি’: ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, পেরু, ডেনমার্ক

গ্রুপ ‘ডি’: আর্জেন্টিনা, আইসল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া, নাইজেরিয়া

গ্রুপ ‘ই’: ব্রাজিল, সুইজারল্যান্ড, কোস্টারিকা, সার্বিয়া

গ্রুপ ‘এফ’: জার্মানি, মেক্সিকো, সুইডেন, কোরিয়া রিপাবলিক (দক্ষিণ           কোরিয়া)

গ্রুপ ‘জি’: বেলজিয়াম, পানামা, তিউনিসিয়া, ইংল্যান্ড

গ্রুপ ‘এইচ’: পোল্যান্ড, সেনেগাল, কলম্বিয়া, জাপান

blank

রাশিয়া বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বল :

“অ্যাডিডাস টেলস্টার”১৮ হল ২০১৮ ফিফা বিশ্বকাপের আনুষ্ঠানিক ম্যাচ বল । টেলস্টার১৮ মস্কোতে ৯ নভেম্বর, ২০১৭ তারিখে বার্সেলোনা এবং আর্জেন্টাইন স্টার লিওনেল মেসির মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়।

১৯৭০ সালের ফিফা বিশ্বকাপে ব্যবহৃত মূল টেলস্টার ছিল একটি কালো ও সাদা প্যাটার্নের বল, যেটা প্রথম ফুটবল এর এক আধুনিক সংস্করণ হিসেবে অভিহিত হয়।  টেলস্টার১৮ তে ছয়টি টেক্সচার্ড প্যানেল রয়েছে। এদেরকে সেলাই করা হয় না, কিন্তু একসঙ্গে গ্লর মাধ্যমে একত্রিত করা হয়। পাকিস্তানি সিলকোটের ফরোয়ার্ড স্পোর্টস দ্বারা টেলস্টার18 বলের বাণিজ্যিক উৎপাদন হচ্ছে।

blank
রাশিয়া বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বল “অ্যাডিডাস টেলস্টার”১৮

রাশিয়া বিশ্বকাপের অফিসিয়াল মাসকট :

২০১৮ ফিফা বিশ্বকাপ রাশিয়া জন্য এবার অফিসিয়াল মাসকট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে “Zabivaka” নামের এক নেকড়ে। “Zabivaka” নামের অর্থ হল-“যে গোল করতে পারে” যা এই নেকড়ের জন্য একটি উপযুক্ত নাম। ২০১৮ সালের বিশ্বকাপ রাশিয়াতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এই অফিসিয়াল মাসকট। এই নেকড়ে শুধু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠানের প্রচার এবং জনসাধারণকে উৎসাহিত করবে না বরং রাশিয়ার একজন রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিজেকে সকলের কাছে উপস্থাপন করবে এবং বিশ্বব্যাপী ‘সেলেব্রিটি’ হয়ে উঠবে।  ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই প্রথম,একটি অফিসিয়াল মাসকটের জন্য সর্বাধিক আকর্ষক সৃজনশীল পদ্ধতিতে নামকরণ করা হয়। এক মিলিওনেরও বেশি রাশিয়ানরা ভোটাভুটি মাধ্যমে তাঁদের মাসকটের নাম নির্বাচন করে। এই অনুষ্ঠানটি রাশিয়ার “চ্যানেল1”-এ একটি লাইভ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সম্প্রচার করা হয়।

blank
অতিথিদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত অফিসিয়াল মাসকট

রাশিয়া বিশ্বকাপের মাসকটের অফিসিয়াল প্রমো

রাশিয়া বিশ্বকাপের অফিসিয়াল লোগো :

রাশিয়া বিশ্বকাপের অফিসিয়াল লোগোটি প্রথম উন্মোচিত হয় পৃথিবী থেকে হাজার হাজার ফিট উপরে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে। রাশিয়া ২০১৮র অফিসিয়াল প্রতীকের আকৃতি বিশ্ব কাপ ট্রফির সর্বজনীন স্বীকৃত রূপরেখা নেয়, প্রতীকের রঙ প্যালেটে লাল, সোনা, কালো এবং নীল রঙের সাহসী ব্যবহার প্রথমবারের মতো আইকন পেইন্টিংগুলিতে ফিরে আসে। প্রতীকের শীর্ষে জাদুকরী বলটি ফুটবলের প্রতি ভালোবাসার ইঙ্গিত দেয়। এবং একত্রিত প্রতীকের উপাদানগুলি বিশ্বকাপ এবং রাশিয়াকে হোস্ট জাতি হিসাবে অনন্য হিসেবে উপস্থাপন করে। লোগোটি লিসবন ভিত্তিক “ব্রান্ডিয়া সেন্ট্রাল” দ্বারা ডিজাইন করা হয়েছে।

blank

রাশিয়া বিশ্বকাপের অফিসিয়াল সঙ্গীত :

এবারের রাশিয়া বিশ্বকাপের অফিসিয়াল এন্থাম সঙ্গীত হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে নিকি জ্যাম ফিওচারিং উইল স্মিথ এবং ইরা ইস্ট্রেফ এর গাওয়া গান “Iive It Up”। বিশ্বের বিখ্যাত গ্র্যামি পুরস্কার বিজয়ী অভিনেতা, গীতিকার এবং শিল্পী উইল স্মিথ বলেন, “২০১৮ ফিফা বিশ্বকাপের জন্য এটি করা একটি সম্মানের ব্যাপার । এই বিশ্বব্যাপী ঘটনা বিশ্বজুড়ে মানুষকে একসঙ্গে আনন্দের সাথে থাকতে সাহায্য করে। দিন শেষে, আমরা শুধু বিশ্বকে এই গানের সাথে নাচতে দেখতে চাই “।

“Live It Up”-গানের অডিও ভার্সন

পানীয় কোম্পানী কোকাকোলার আফিসিয়াল থিম সং

সমগ্র বিশ্ব অধীর আগ্রহের সাথে অপেক্ষা করছে “রাশিয়া বিশ্বকাপ ২০১৮”র জন্যে। আর কিছুদিন পরই পর্দা উঠতে যাচ্ছে বিশ্বের সবথেকে জনপ্রিয় এই আসরের। ধারাবাহিকভাবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন দলকে নিয়ে ফিচার আসবে সামনে। পর্ব আকারে সবগুলো লেখা পাবেন, “Bangla Hub”-সাইটে।