এবার পুরো পৃথিবী বাংলায়

হার্ট অ্যাটাক এর পূর্বে যে সকল উপসর্গ দেখা যায়

660

“হার্ট অ্যাটাক” শব্দটির সাথে আমরা কম-বেশি।সকলে পরিচিতি। বর্তমান সময়ে প্রেক্ষাপটে, এই নিরব ঘাতক ব্যাধিটি সকলের মনে ভয়ের সঞ্চার করে। বাংলাদেশে, হার্ট অ্যাটাক রোগীর সংখ্যা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। পুরো বিশ্বে প্রতি বছর হার্ট অ্যাটাকের শিকার হয়ে মারা যাচ্ছে তেমন রোগীর সংখ্যা প্রায় ছয় লক্ষ।

যদি কোন ব্যাক্তি হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিতে থাকে তবে মাসখানেক পূর্বে তার শরীরে কিছু উপসর্গ দেখা যাবে। যেমনঃ

শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যাঃ

একজন হৃদরোগ আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের শিরা ও ধমনীর ভেতরে প্লাক জমা হতে থাকে ফলে ফুসফুসের কার্যক্ষমতাও ব্যাহত হয়ে সে ব্যাক্তির শ্বাস নিতে কষ্ট হয়।
এমন কোন লক্ষন দেখা দিলে দেরি না করে অতিসত্তর চিকিৎসকের শরণাপ্নন হওয়া উচিত।

বুকে ব্যাথা অনুভব করাঃ

ঘন ঘন বুকে ব্যাথা হওয়া,বুকের মাঝখানে চাপ অনুভব করা,ঝাঁকুনি দেওয়া হার্ট অ্যাটাকের পূর্ব সংকের হিসেবে ধরে নেওয়া যায়। এ ধরনের ব্যাথা কয়েক মিনিট পরে চলে যাওয়ার কারণে অনেকে এটিকে তেমন গুরুত্ব সহকারে নেয়না। আর এখানেই সবচেয়ে বড় ভুলটা হয়।

অধিকাংশ সময়ে সর্দি-কাশিঃ

হৃদরোগের ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তি সর্দি-কাশিতে ঘন ঘন আক্রান্ত হয়ে থাকে। ঔষুধ নেওয়ার পরেও কোন রকম উন্নতি চোখে পড়েনা।

শারীরিক দুর্বলতাঃ

অল্প পরিশ্রমেই দুর্বলতা অনুভব করা। এমন ব্যক্তিদের অনেক সময় হাঁটার শক্তিও থাকে
না। এর প্রধান কারণ হচ্ছে, ধমনীর মধ্য দিয়ে রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি হওয়া। রক্ত স্বাভাবিক ভাবে চলাচল করতে না পারলে হৃৎপিণ্ডের কর্মক্ষমতা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। ফলে শরীর সর্বদা ক্লান্ত থাকে।

শরীর ভিজে যাওয়াঃ

শরীরের রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক না থাকলে শরীর ভিজে যায়। মাথায় এক ধরনের ব্যথা অনুভূত হয়। এই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হলে আজই সতর্ক হোন।

মন্তব্য
লোডিং...